কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু [ Keno Piriti Baraila Re Bondhu ]

কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু [ Keno Piriti Baraila Re Bondhu ]
গেয়েছেন : মোঃ রবিউল ইসলাম [ MD. Robiul Islam ]
মুল গায়ক : শাহ আব্দুল করিম [ Shah Abdul Karim ]

 

কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু

কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি
কেমনে রাখিবো তোর মন,
আমার আপন ঘরে বাঁধি রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।

পাড়া-পড়শি বাদী আমার,
বাদী কালনী নদী
পাড়া-পড়শি বাদী আমার,
বাদী কালনী নদী
মরম-জ্বালা সইতে না’রি,
দিবা-নিশি কান্দি রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।

কারে কি বলিবো আমি
নিজেই অপরাধী
কারে কি বলিবো আমি
নিজেই অপরাধী
কেঁদে-কেঁদে চোখের জলে
বহাইলাম নদী রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।

বাউল আব্দুল করিম বলে
হলো এ-কী ব্যাধি?
বাউল আব্দুল করিম বলে
হলো এ-কী ব্যাধি?
তুমি বিনে এই ভুবনে
কে আছে ঔষধি রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।

কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেমনে রাখিবো তোর মন,
আমার আপন ঘরে বাঁধি রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।
কেনো পিরিতি বাড়াইলা রে বন্ধু
ছেড়ে যাইবা যদি।

শাহ আব্দুল করিম :

উস্তাদ শাহ আবদুল করিম (১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯১৬ – ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৯) হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত শিক্ষক। তিনি বাউল সঙ্গীতকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি পাঁচশো-এর উপরে সংগীত রচনা করেছেন। বাংলা সঙ্গীতে তাঁকে বাউল সম্রাট হিসাবে সম্বোধন করা হয়। তিনি বাংলা সঙ্গীতে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০১ সালে একুশে পদক পুরস্কারে ভূষিত হন।

২০০৯ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম মৃত্যু বরণ করেন। সেই দিন শনিবার সকাল ৭টা ৫৮ মিনিটে সিলেটের একটি ক্লিনিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সিলেটের নুরজাহান পলি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন আব্দুল করিমকে ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুর থেকেই লাইফসাপোর্ট দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা হয়ে ছিল।

 

লোকসঙ্গীত ঃ

লোক সঙ্গীত বাংলাদেশের সঙ্গীতের একটি অন্যতম ধারা। এটি মূলত বাংলার নিজস্ব সঙ্গীত। গ্রাম বাংলার মানুষের জীবনের কথা, সুখ দুঃখের কথা ফুটে ওঠে এই সঙ্গীতে। এর আবার অনেক ভাগ রয়েছে। এটি একটি দেশের বা দেশের যেকোনো অঞ্চলের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে। যেমন ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, পল্লীগীতি, গম্ভীরা ইত্যাদি।

বৈশিষ্ট্য
  • মৌখিকভাবে লোকসমাজে প্রচারিত।
  • সম্মিলিত বা একক কণ্ঠে গাওয়া যেতে পারে।
  • প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষের মুখে মুখে এর বিকাশ ঘটে।
  • সাধারণত নিরক্ষর মানুষের রচনায় এবং সুরে এর প্রকাশ ঘটে।
  • আঞ্চলিক ভাষায় উচ্চারিত হয়।
  • প্রকৃতির প্রাধান্য বেশি ।
  • দৈনন্দিন জীবনের সুখ-দুঃখ, প্রকাশ পায়।
  • গ্রাম বাংলার মানুষের জীবন যাপন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

 

কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু [ Keno Piriti Baraila Re Bondhu ] কভার ঃ

 

 

Leave a Comment