আমি তোর পিরিতের মরা [ Ami Tor Piriter Mora ]

আমি তোর পিরিতের মরা [ Ami Tor Piriter Mora ]
লেবেল: স্টুডিও গুরুকুল [ Studio Gurukul ]
প্রযোজনা: সঙ্গীত গুরুকুল [ Music Gurukul ]
কাভার: বাঁধন মোদক [ Badhon Modak ]

 

আমি তোর পিরিতের মরা

আমি তোর পীরিতের মরা
আমি তোর পীরিতের মরা বন্ধু
চাইয়া দেখনা এক নজর বন্ধুরে
অপরাধী হলেও আমি তোর
তোররে বন্ধু
অপরাধী হলেও আমি তোর

আমায় যদি দাও তাড়াইয়া
এমন জায়গা নাইরে গিয়া
এ অভাগার জুড়াইতাম অন্তর
তুমি যদি ভিন্নবাসো
আমি তোরে কইনা পর

কত দুঃখ আমার বুকে
দেখতে আসে পাড়ার লোকে
তোর কি নাই কলঙ্কেরই ডর
আমি যদি যাই মরিয়া
কে করবে তোরে আদর

উকিল মুন্সী :

উকিল মুন্সী (১১ জুন ১৮৮৫ – ১২ ডিসেম্বর ১৯৭৮) একজন বাঙালি বাউল সাধক। তার গুরু ছিলেন আরেক বাউল সাধক রশিদ উদ্দিন। তার অসংখ্য গানের মধ্যের আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি রে, সোনা বন্ধুয়া রে এতো দুঃখ দিলে তুই আমারে উল্লেখযোগ্য।

তার অনেক গান বাংলা চলচ্চিত্রে সংযোজন হয়েছে। ১৯৯৯ সালে কথাসাহিত্যিক ও চিত্রনির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত শ্রাবণ মেঘের দিন চলচ্চিত্রে বারী সিদ্দীকীর কণ্ঠে ব্যবহার করেন উকিলের গান। বিংশ শতাব্দীর গ্রামীণ বাংলার জীবনকে নিয়ে রচিত হুমায়ুন আহমেদের বহুকেন্দ্রিকা উপন্যাস মধ্যাহ্ন-এর অন্যতম চরিত্র উকিল মুন্সী। লোকশিল্পী মমতাজ তার সুললিত কন্ঠে ” সুজন বন্ধু রে আরে ও বন্ধু, কোন বা দেশে থাকো, এই দাসীরে কান্দাইয়া রে, কোন দাসীর মন রাখো সুজন বন্ধুরে ” এই গানটি গেয়ে জনপ্রিয় করে তোলেন।

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের জৈনপুর গ্রামে উকিল মুন্সীর স্মরণে তার জীবন ও গান নিয়ে আলোচনা, প্রবন্ধ পাঠ, তার রচিত জনপ্রিয় গানের সঙ্গীত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে “উকিল মুন্সী স্মৃতি সংসদ”।

১৯৭৮ সালের মাঝামাঝিতে উকিল মুন্সীর স্ত্রী হামিদা খাতুন এবং এর কয়েক মাস পর ছেলে সাত্তার মুন্সী মৃত্যুবরণ করেন। সে বছরই তিনি অসুস্থ হয়ে ১২ ডিসেম্বরে মৃত্যুবরণ করেন। নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের জৈনপুরে বেতাই নদীর পারে চিরনিদ্রায় শায়িত হন উকিল মুন্সি।

 

আমি তোর পিরিতের মরা [ Ami Tor Piriter Mora ] কভার ঃ

 

 

Leave a Comment